পূর্বাচল প্লট কেলেঙ্কারি: শেখ হাসিনা ও পরিবারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু

জাতীয়
পূর্বাচল প্লট কেলেঙ্কারি: শেখ হাসিনা ও পরিবারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু
নিউজ ডেস্ক
৩১ জুলাই ২০২৫

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে অবৈধ প্লট বরাদ্দসংক্রান্ত তিনটি পৃথক মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল সহ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। মামলা তিনটি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (ACC) এবং বিশেষ জজ আদালত–৫ অভিযোগ গঠন করেছেন বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। আসামিরা পলাতক থাকায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে এবং সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১১ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।

অভিযোগ সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:

  1. মামলায় বলা হয়েছে, রোড নম্বর ২০৩, সেক্টর ২৭, কূটনৈতিক জোনে অবস্থিত ৬টি ১০‑কাঠার প্লট অরৈধভাবে বরাদ্দ পায় শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা—সজীব, সায়মা, এবং শেখ রেহানা ও তাঁর সন্তানরা।

  2. অভিযোগে বলা হয়, RAJUK ও গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে নিয়ম ও নীতিবাহী আবেদনপত্র ছাড়াই এবং তথ্য গোপন করে বরাদ্দ নেয়া হয়।

  3. মামলা দায়ের হয়েছে দণ্ডবিধির ১৬১, ১৬৩, ১৬৪, ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং Prevention of Corruption Act, 1947-এর 5(2) এর ভিত্তিতে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও প্রভাব:

  1. এই ঘটনা রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত, যেখানে কার্যত ক্ষমতাসীন পরিবারের উচ্চ পর্যায়ের নেতা/জনগণকে সরাসরি অভিযুক্ত করা হচ্ছে।

  2. এ ছাড়াও, টিউলিপ সিদ্দিক—যিনি বি.পি পার্লামেন্ট সদস্য—তাঁরা যুক্ত আছেন এই প্লট বরাদ্দ কেলেঙ্কারিতে, যার জন্য তাঁকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

  3. উচ্চ আদালতের নজরদারিতে RAJUK-এর ভূমি বরাদ্দ শাসন ও коррупশন ঘটনার বিস্তৃত তদন্ত ধারণা করা হচ্ছে।

যখন ক্ষমতার শীর্ষস্থানে থাকা ব্যক্তিরা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে জড়িত থাকেন, তখন তাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের স্বচ্ছতা এবং বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এই মামলাগুলো কেবল একটিবার সাজা না—বরং সমগ্ৰ রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের দিকে ইঙ্গিত হতে পারে।