১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে পারে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই , প্রস্তুতির শেষ ধাপে ইসি
দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সূত্র বলছে, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত এ নির্বাচন। রমজানের আগেই ভোট সম্পন্ন করতে সরকারের আগ্রহ থাকায় ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণের লক্ষ্য ঠিক করেছে ইসি।
ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সীমানা পুনর্নির্ধারণ ও পর্যবেক্ষক সংস্থার নীতিমালাসহ অধিকাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজগুলোও শেষ হবে তফসিল ঘোষণার পর পরই।
নির্বাচন কমিশনের কাজের অগ্রগতি দেখে বোঝা যাচ্ছে, তারা ৫ ও ১২ ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি নিচ্ছে। কমিশন সূত্র জানায়, সাপ্তাহিক ছুটি ও ভোট-পরবর্তী দিন মিলিয়ে দুই দিনের ছুটি দেওয়ার চিন্তা রয়েছে, এজন্য সপ্তাহের শেষ দিকে ভোটগ্রহণ করতে চায় ইসি।
ইসি ইতোমধ্যে ৩৯টি আসনের সীমানা পরিবর্তনের খসড়া প্রকাশ করেছে। এটি চূড়ান্ত হতে সময় দেওয়া হয়েছে ১০ আগস্ট পর্যন্ত। পরিবর্তন হওয়া আসনগুলোর মধ্যে রয়েছে:
-
ঢাকা: ২, ৩, ৭, ১০, ১৪ ও ১৯
-
গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রংপুর, সিলেট, সিরাজগঞ্জসহ আরও একাধিক জেলা
ইসি ইতোমধ্যে গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকদের জন্য নীতিমালা ২০২৫ প্রকাশ করেছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, পক্ষপাতদুষ্ট বিদেশি পর্যবেক্ষকদের অনুমতি দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, “যারা বিগত নির্বাচনে অন্ধ প্রশংসা করেছেন, তাদের এবার অনুমোদন দেওয়া হবে না।”
সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হবে ভোটের সব প্রস্তুতি ও কেনাকাটা।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন,
“ভোটের সময়সূচি নিয়ে আর দেরি নেই। জনগণ দ্রুতই জানতে পারবে চূড়ান্ত তারিখ। তফসিল ঘোষণার পর যে কাজগুলো থাকে, সেগুলোর প্রস্তুতিও নেয়া হয়ে গেছে।”
কমিশন জানায়, ৬০ দিনের সময় রেখে তফসিল ঘোষণা করা হবে।
সেক্ষেত্রে অক্টোবরের শেষদিকেই তফসিল আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


