‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ মঙ্গলবার সাবেক গণভবন প্রাঙ্গণে নির্মাণাধীন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ পরিদর্শন করেছেন। ‘৩৬ জুলাই’— অর্থাৎ ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তিতে এই প্রতীকী স্থানটিতে উপস্থিত হন তিনি।
জাদুঘর নির্মাণস্থলে পৌঁছে প্রধান উপদেষ্টা ঘুরে দেখেন জাদুঘরের নির্মাণকাজ, সংগ্রহে থাকা নানা স্মারক এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার খসড়া নকশা। জাদুঘরটিতে থাকবে গণঅভ্যুত্থানের চিত্র, শহীদদের স্মৃতি, প্রত্যক্ষদর্শীদের ভিডিও সাক্ষাৎকার এবং আন্দোলনকালীন গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র।
ইউনূস বলেন:
“এই জাদুঘর শুধু অতীতের স্মৃতি নয়, ভবিষ্যতের জন্য এক শিক্ষা। যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে জানে, তাদের ইতিহাস অম্লান থাকবে। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বীরত্ব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা হয়ে থাকবে।”
জাদুঘরের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
-
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শহীদদের স্মরণ।
-
গুম, খুন, নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর ইতিহাস সংরক্ষণ।
-
গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নিদর্শন সংরক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি।
-
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে নাগরিক দায়িত্ব ও সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া।
জাদুঘরের নির্মাণ তদারকিতে যুক্ত একজন কর্মকর্তা জানান, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে এটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তখন থেকে শিক্ষার্থীরা ও গবেষকরা এখানে এসে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে কাজ করতে পারবেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের একদলীয় শাসনের অবসান ঘটে। সেই দিনটির স্মরণে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।


