অকার্যকর স্থলবন্দর বন্ধের হুঁশিয়ারি নৌপরিবহন উপদেষ্টার

দেশজুড়ে
অকার্যকর স্থলবন্দর বন্ধের হুঁশিয়ারি নৌপরিবহন উপদেষ্টার
নিউজ ডেস্ক
৯ আগস্ট ২০২৫

“যেসব স্থলবন্দর দিয়ে কার্যকরভাবে আমদানি-রফতানি হয় না, লোকসানে চলে—সেসব বন্দর আর চলবে না,”—বলেছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

শনিবার (৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “দেশে ২৪টি স্থলবন্দর থাকলেও কার্যকর মাত্র ১২ থেকে ১৪টি। বাকি যেসব বন্দর বছরের পর বছর লোকসান করছে, সেগুলো একে একে বন্ধ করে দেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে আটটি বন্দর বন্ধের পরিকল্পনা ছিল, যার মধ্যে চারটি ইতিমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

উপদেষ্টা বলেন, “যেখানে সারা বছর ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকার আয় হয় অথচ ব্যয় কয়েকগুণ, সেসব বন্দর আধুনিকায়নের কোনো যৌক্তিকতা নেই। বরং যেসব বন্দর কার্যকর, সেগুলোতেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, কিছু নদীবন্দর বেসরকারি খাতে পরিচালনার জন্য সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে করে পরিচালন ব্যয় কমবে এবং সেবা মান উন্নত হবে।

হিলি বন্দরের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বন্দরের কিছু অব্যবস্থাপনার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হিলি কাস্টমস ও বন্দরের অবকাঠামো ঘুরে দেখার পাশাপাশি তিনি সীমান্ত চেকপোস্ট এলাকা পরিদর্শন করেন।
এ সময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মানজারুল মান্নান, কাস্টমস রংপুর বিভাগের কমিশনার অরুন কুমার, হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক, সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।