গাজার নিরাপত্তা ও প্রশাসন গঠনে বৈঠকে বসছে ছয় মুসলিম দেশ
গাজা উপত্যকার নিরাপত্তা নিশ্চিত ও প্রশাসন ফিলিস্তিনিদের মাধ্যমে পুনর্গঠনের বিষয়ে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে ছয়টি মুসলিম দেশ। তুরস্কের উদ্যোগে আয়োজিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে সোমবার (৩ নভেম্বর) ইস্তাম্বুলে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে রোববার (২ নভেম্বর) জানানো হয়েছে, বৈঠকে যোগ দেবেন কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বৈঠকে গাজার নিরাপত্তা ও প্রশাসন দ্রুত ফিলিস্তিনিদের হাতে হস্তান্তরের আহ্বান জানাবেন। পাশাপাশি চলমান যুদ্ধবিরতি দীর্ঘমেয়াদি শান্তিতে রূপ দিতে মুসলিম দেশগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দেবেন তিনি।
সূত্রটি আরও জানায়, ফিদান বৈঠকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অজুহাত তৈরির বিষয়টি এবং তাদের ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরবেন। তিনি বিশ্বকে আহ্বান জানাবেন ইসরায়েলের এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহারের সময়সূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো অনির্ধারিত। ফলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সময় সময় নতুন করে সহিংসতা দেখা দিচ্ছে।
বৈঠকে গাজায় প্রবেশ করা মানবিক সহায়তার অপ্রতুলতা এবং এই বিষয়ে ইসরায়েলের ‘দায়িত্বহীন ভূমিকা’ নিয়েও আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র।
তুরস্ক এর আগে গত সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় নিউইয়র্কে গাজা ইস্যুতে বিভিন্ন মুসলিম ও পশ্চিমা নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছিল। আসন্ন ইস্তাম্বুল বৈঠককে অনেকেই “গাজায় স্থায়ী শান্তির রূপরেখা তৈরির সম্ভাব্য ভিত্তি” হিসেবে দেখছেন।


