মাদুরোকে পাঠানো হলো ব্রুকলিনের বন্দিশিবিরে

মাদুরোকে পাঠানো হলো ব্রুকলিনের বন্দিশিবিরে
নিউজ ডেস্ক
৪ জানুয়ারি ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় বিশেষ সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শনিবার তাঁদের বহনকারী উড়োজাহাজটি নিউইয়র্ক সিটি থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে স্টুয়ার্ট এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে।

বিমানঘাঁটিতে নামার পর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মাদুরো দম্পতিকে হেলিকপ্টারে করে ম্যানহাটনের ওয়েস্টসাইড হেলিপোর্টে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁদের যুক্তরাষ্ট্রের মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির (ডিইএ) সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাঁদের ব্রুকলিনের একটি বন্দিশিবিরে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মার্কিন কর্তৃপক্ষ মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগ এনেছে। তবে এসব অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযানে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তাঁর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানানো হয়।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়া ও চীনের সমর্থনে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে কলম্বিয়া।

অন্যদিকে, ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্ট দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মাদুরোর মুক্তির দাবিতে রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভে নেমেছেন তাঁর সমর্থকরা। এসব বিক্ষোভে অংশ নেন কারাকাসের মেয়র কারমেন মেলান্দেজও, যিনি মাদুরো সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রীকে ‘অপহরণ’ করে নিয়ে গেছে।