চুয়াডাঙ্গায় বালিকা বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে মেয়েদের অন্তরবাস টাঙিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে পোষ্ট!

দেশজুড়ে
চুয়াডাঙ্গায় বালিকা বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে মেয়েদের অন্তরবাস টাঙিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে পোষ্ট!

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা বালিকা বিদ্যালয় শহীদ মিনারের উপরে মেয়েদের অন্তরবাস টাঙিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে দেওয়ার ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে নানান আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সোমবার ৩০ মার্চ বিষয়টি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গোচরে আসে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীর জানান, সোমবার ৩০ মার্চ এই ন্যাক্কারজনক অসামাজিক ঘৃনীত কর্মকাণ্ডের যেখানে মেয়েদের অন্তরবাস শহীদ মিনারে টাঙ্গানো ছবি সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়টি দেখার পর দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের অবহিত করা হয় এবং এ ধরণের ন্যাক্কারজনক ঘটনার মাধ্যমে যারা ভাষা সৈনিকদের প্রতি অপমান ও অমর্যাদাকর ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের সনাক্ত করতে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

তিনি আরো জানান, দর্শনা বালিকা বিদ্যালয় গ্রীষ্মকালীন প্রতিনিয়ত বিদ্যালয়ের ছুটি হয় দুপুর ২ টায়। গত রবিবার ২৯ মার্চ স্কুল ছুটির পর স্কুলের সব গেট তালা দিয়ে চলে যায়। ধারণা করা হচ্ছে বিকালের দিকে কে বা কারা (যুবকরা) অবৈধ ভাবে স্কুল ভবনের ভিতরে প্রবেশ করে এই অমর্যাদাকর কাজটি করে ছবি তুলে সোস্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দিয়েছে।

ইতিপূর্বেও বিদ্যালয়ে ভবনে ঢুকে বিভিন্ন দেওয়ালে আজেবাজে কথা লিখে রাখে। যেটি বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য অগ্রনযোগ্য ভাষা। এসব ভাষা গুলো আমরা মাঝেমধ্যে মুছে দিয়েছি। কিন্তু এবারের ঘটনাটি আমাদের বিস্ময়কর করে তুলেছে। শহীদ মিনারের অবমাননা সহ মেয়েদের কেউ অবমাননা করা হচ্ছে। এজন্য প্রশাসনের নিকট আইনের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ বিষয়ে দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় সোমবার ৩০ মার্চ রাতে দর্শনা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নৈশ্যপ্রহরী রফিকুল ইসলাম অজ্ঞাতনামাদের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। উক্ত অভিযোগের পর পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করছে, আশা করছি দোষীরা ধরা পড়বে।