মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা দ্রুত এগিয়ে নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয়
সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা দ্রুত এগিয়ে নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
২২ আগস্ট ২০২৬

দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগের জন্য তিনটি সম্ভাব্য রুট নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশাল-রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটকে উপযুক্ত হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে ভোলাকে দ্রুত মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, নির্ধারিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি কয়েকটি নতুন সড়ক নির্মাণ করতে হবে। এ ছাড়া তিনটি ছোট সেতু নির্মাণের প্রয়োজন হবে। প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাইয়ের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও পরিবহন ব্যয় কমার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।

নদীবেষ্টিত ভোলার মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই নৌপথের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। সড়ক যোগাযোগ চালু হলে এ নির্ভরতা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের অন্যতম সুবিধা হলো তুলনামূলকভাবে সময়, দূরত্ব ও ব্যয় সাশ্রয়। ফলে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগে এই রুট কার্যকর বিকল্প হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।