২০২৮ সাল থেকে স্কুলেই নাচ-গান, বাদ্যযন্ত্র ও কেরাত শেখার সুযোগ: প্রধানমন্ত্রী
২০২৮ সাল থেকে স্কুল পর্যায়েই শিক্ষার্থীদের নাচ, গান, বাদ্যযন্ত্র ও কেরাত শেখার সুযোগ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান প্রজন্ম পুরোপুরি মানবিক হয়ে উঠতে না পারলেও আগামী প্রজন্মকে মানবিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের মানবিক গুণাবলি অর্জন করতে হবে। শুধু মানুষের প্রতি নয়, প্রকৃতি, পশু-পাখির প্রতিও সহানুভূতিশীল হওয়ার শিক্ষা দিতে হবে। অভিভাবকদের প্রতি শিশুদের এমনভাবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যাতে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও বোধশক্তি তৈরি হয়।
শিশুদের প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক শিশুর আলাদা প্রতিভা ও আগ্রহ রয়েছে। কেউ গান গাইতে চাইলে গান গাইবে, কেউ বাঁশি বা অন্য কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজাতে চাইলে সেটি শেখার সুযোগ পাবে। নিজের গিটার শেখার আগ্রহের কথা উল্লেখ করে তিনি শিশুদের নিজেদের পছন্দ ও স্বপ্ন পূরণের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের সঠিকভাবে বিকশিত করা গেলে দেশের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে এবং প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশ আরও সক্ষম হয়ে উঠবে।
শিশুদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো দেশে ২২ লাখ ছেলে-মেয়ে ফুটবলে অংশ নিয়েছে। এদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে ভালো খেলোয়াড় উঠে আসবে। সংস্কৃতির পাশাপাশি খেলাধুলার ক্ষেত্রেও শিশুদের উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শিশুদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাড়ি, স্কুল কিংবা আশপাশের এলাকার গাছপালার যত্ন নিতে হবে। পশু-পাখির প্রতিও সদয় হতে হবে। প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ শিশুদের মানবিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলার মাধ্যমে ভবিষ্যতে একটি আরও দায়িত্বশীল ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।


