১০ এয়ারবাস কিনতে আজ চুক্তি, বোয়িংয়ের পর মিশ্র বহরের পথে বিমান বাংলাদেশ

জাতীয়
১০ এয়ারবাস কিনতে আজ চুক্তি, বোয়িংয়ের পর মিশ্র বহরের পথে বিমান বাংলাদেশ
৭ অক্টোবর ২০২৬

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ। এ নিয়ে আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকার রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘স্প্রেডিং আওয়ার উইংস টুগেদার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এয়ারবাসের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হবে।

চুক্তির আওতায় চারটি ওয়াইডবডি এ৩৫০-৯০০ এবং ছয়টি ন্যারোবডি এ৩২১নিও উড়োজাহাজ কেনার কথা রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের বোয়িংনির্ভর বহর থেকে বেরিয়ে মিশ্র বোয়িং-এয়ারবাস বহরের পথে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান।

এর আগে দুই দফায় যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বিমান। এয়ারবাসের ১০টি যুক্ত হলে নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের পরিকল্পনায় বিমানের মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫টি।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনের উৎসব হলে অনুষ্ঠিত হবে। এতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়োর্গেন ওয়েস্টারমেয়ার উপস্থিত থাকবেন।

এয়ারবাসের চারটি এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ দীর্ঘপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটে এবং ছয়টি এ৩২১নিও আঞ্চলিক ও মধ্যমপাল্লার রুটে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ ২০৩৩ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০৩৬ বা ২০৩৭ সাল পর্যন্ত চলতে পারে। তবে সরকার সরবরাহের সময় আরও এগিয়ে আনার চেষ্টা করছে।

এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির আর্থিক মূল্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে এ প্যাকেজের সম্ভাব্য মূল্য ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোৎজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিমান চলাচল, বিমানের উন্নয়ন এবং এভিয়েশন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে লুফথানসার বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। বিশেষ করে মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও) সুবিধা গড়ে তোলা এবং দেশে দক্ষ এভিয়েশন জনবল তৈরিতে লুফথানসার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।