নয়াপল্টনে ছাত্রদল-যুবদল-স্বেচ্ছাসেবক দলের ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ বুধবার, লক্ষ্য ১৫ লাখ তরুণের উপস্থিতি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল যৌথভাবে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আগামী বুধবার (২৮ মে) ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’ আয়োজন করতে যাচ্ছে। আয়োজকদের দাবি, এ সমাবেশে ঢাকা, সিলেট, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ থেকে প্রায় ১৫ লাখ তরুণ-তরুণী অংশ নেবেন।
সোমবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম, খুলনা ও বগুড়ার আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশগুলোতে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। ঢাকায় আমরা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাব বলে প্রত্যাশা করছি।”
এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা মে মাসজুড়ে বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে সেমিনার ও সমাবেশ করেছে বিএনপির এই তিন অঙ্গ সংগঠন। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৭ মে) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ‘তারুণ্যের ভবিষ্যৎ ভাবনা, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার, যার পরদিন হবে মূল সমাবেশ।
যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্নার পাঠ করা লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, “এই কর্মসূচি শুধুই একটি রাজনৈতিক শোডাউন নয়, বরং একটি নীতিগত প্রচেষ্টা। ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের ভাবনা ও প্রত্যাশা রাজনীতির মূল ধারায় নিয়ে আসাই আমাদের লক্ষ্য।”
যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান সরকারের সময় তরুণদের বঞ্চিত করা হয়েছে, দলীয় পরিচয়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রথম ১৮ মাসেই এক কোটি তরুণের কর্মসংস্থান হবে—এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।”
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি দেশের তরুণদের সামনে দলের রাষ্ট্রচিন্তা, রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল মঈন খান ও সালাহউদ্দিন আহমদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন।
সমাবেশ উপলক্ষে রাজধানীতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটি। তরুণদের জন্য এটি হতে যাচ্ছে একটি “রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ” বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


