ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার মুখে যুদ্ধবিরতি কিংবা আলোচনা—এই মুহূর্তে কোনোটিই বিবেচনায় নিচ্ছে না ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টা শুরু করেছিল কাতার ও ওমান। তবে ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, “যতক্ষণ না ইসরায়েলের আক্রমণের জবাব সম্পূর্ণভাবে দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ কোনো আলোচনায় বসবে না তেহরান।”
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ইরানি কর্মকর্তা বলেন, “ইরান কাতার ও ওমানকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, আক্রমণের মুখে থাকা অবস্থায় কোনো আলোচনার সুযোগ নেই।”
সূত্র জানায়, ইসরায়েল যখন আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে এবং ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ক্ষতি করেছে, তখন যুদ্ধবিরতির কথা বলা বাস্তবতা বিবর্জিত।
শুক্রবার সকালের আকস্মিক ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের মৃত্যু এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এরপর ইরান শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে।
রয়টার্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান নাকি কাতার ও ওমানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা ও যুদ্ধবিরতি নিয়ে যোগাযোগ করতে চেয়েছে।
তবে ওই ইরানি কর্মকর্তা এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, “এই তথ্য সম্পূর্ণ ভুল। তেহরান এখন কূটনৈতিক আলোচনা নয়, বরং ইসরায়েলের আক্রমণের কঠোর জবাব নিয়েই মনোযোগী।”
রয়টার্সের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কাতার ও ওমানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেনি।

