সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
Logo

গলে শুরু টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন যাত্রা, বড় স্বপ্নে বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট।।

ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদার ফরম্যাটে শুরু হচ্ছে নতুন যাত্রা। শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মধ্যকার গল টেস্ট দিয়েই পর্দা উঠছে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ সংস্করণের। দুই বছরের এই চক্রে সর্বোচ্চ স্থানে পৌঁছাতে লড়বে নয়টি টেস্ট খেলুড়ে দেশ।

বাংলাদেশের জন্য এটি শুধু আরেকটি সিরিজ নয়, বরং একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার। পেছনের পরিসংখ্যান বলছে, আগের তিন চক্রে টাইগারদের সাফল্য ছিল সীমিত। প্রথম চক্রে জয়হীন বাংলাদেশ দ্বিতীয় চক্রে পেয়েছিল মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ঐতিহাসিক এক জয়। তৃতীয় চক্রে খানিকটা উন্নতি এনে দিয়েছিল চারটি জয়। এবার লক্ষ্য আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া।

চতুর্থ চক্রে বাংলাদেশ খেলবে মোট ১২টি টেস্ট। এবারের সূচিতে গল ও কলম্বো টেস্টের পর বাকি ১০ ম্যাচ ২০২৬ ও ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচটি সিরিজে অংশ নেবে লাল-সবুজের দল, প্রতিটিতে থাকছে দুটি করে টেস্ট।

২০২৬ সালের আগস্টে বাংলাদেশ যাবে অস্ট্রেলিয়া সফরে—২০০৩ সালের পর এটাই হবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের প্রথম টেস্ট সিরিজ। সাকিব, মুশফিক বা তামিম—যারা প্রায় দুই দশক ধরে দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন—তাদের কেউই টেস্ট খেলেননি অস্ট্রেলিয়ায়। নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য এটি হবে নিজেকে প্রমাণের সুবর্ণ সুযোগ।

২০২৬ সালে ঘরের মাঠে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ—মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে এবং অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এরপর নভেম্বরে সফর দক্ষিণ আফ্রিকায়। চক্রের শেষ সিরিজ হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে, ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এটি হবে ইংলিশদের বিপক্ষে ৯ বছর পর প্রথম টেস্ট সিরিজ।

বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর হলো, এই চক্রে যাদের বিপক্ষে খেলার কথা রয়েছে—অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট সিরিজে হারেনি তারা। বিশেষ করে পাকিস্তানকে ঘরের মাঠে ২-০ ব্যবধানে হারানো আত্মবিশ্বাস বাড়াবে নতুন চক্রে।

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গত তিন আসরের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে ইংল্যান্ডে—সাউদাম্পটন (২০২১), ওভাল (২০২৩) ও লর্ডস (২০২5)। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ জানায়, ভবিষ্যতের ফাইনালগুলোর আয়োজক হিসেবেও ইংল্যান্ডই থাকতে পারে, যদিও ভারত আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

চ্যাম্পিয়নশিপে সবচেয়ে বেশি ২২ ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড। তুলনায় বাংলাদেশের ১২টি ম্যাচ কম হলেও লক্ষ্য একটাই—সেরা ছয়ে জায়গা করে নেওয়া।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন