যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিট হেগসেথ স্বীকার করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি থামাতে গত রাতের ‘মিডনাইট হ্যামার’ সামরিক অভিযান পুরোপুরি সফল হয়নি। রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলি ধ্বংস না হলেও “গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত” হয়েছে।
তিনটি পৃথক ইরানি পারমাণবিক স্থাপনার উপর চালানো এই অভিযানে ফোরদো প্ল্যান্ট ছিল প্রধান লক্ষ্য। হেগসেথ জানান, সেখানে ব্যাপক ক্ষতি হলেও সেটি পুরোপুরি ধ্বংস করা যায়নি।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই অভিযান ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে নয়, বরং কৌশলগতভাবে একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ছিল।
হেগসেথ আরও বলেন, “এই হামলা ছিল একটি সুসংগঠিত এবং সীমিত পরিসরের প্রতিক্রিয়া, যার মাধ্যমে আমরা আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি।”
তেহরানকে উদ্দেশ করে হেগসেথ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন, “যদি ইরান এই হামলার প্রতিশোধ নেয়, তবে তার জন্য বড় মূল্য দিতে হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত সাম্প্রতিক সংঘর্ষ থেকে স্পষ্ট, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত ছড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আমেরিকা এ মুহূর্তে উত্তেজনা বাড়াতে চায় না।”
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে, ‘মিডনাইট হ্যামার’ ছিল একক সামরিক পদক্ষেপ। ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণে এখন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিকল্পগুলোর দিকেই নজর দেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

