থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্ত আসে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে পেতংতার্নের ফাঁস হওয়া ফোনালাপের পর, যেখানে পেতংতার্নের বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়।
বরখাস্ত হওয়ার পরও তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। এই সময়ে উপ প্রধানমন্ত্রী সুরিয়া জুংরুনগ্রুয়াংকিত ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
ফোনালাপে পেতংতার্ন হুন সেনকে ‘চাচা’ বলে সম্বোধন করেছেন এবং সীমান্ত সংঘর্ষের প্রসঙ্গে বিরূপ মন্তব্য করেছেন, যা দেশীয় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বিরোধীরা দাবি করেছেন, এতে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপস করেছেন।
এর প্রভাব পড়েছে সরকার সমর্থক জোটে; ভূমজাইথাই পার্টি জোট থেকে বেরিয়ে গেছে, যার ফলে পেতংতার্নের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা সংকটে পড়েছে। বর্তমানে তিনি অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি।
৩৮ বছর বয়সী পেতংতার্ন গত বছর ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি ছিলেন থাইল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী ও দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। মাত্র ১০ মাসের ক্ষমতাসীন সময়ে তার জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ ও সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনাটি নতুন রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে।

