রাজধানীর বাজারগুলোতে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। গত সপ্তাহে যা বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৫০ টাকায়, সেই ব্রয়লারই এখন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়।
শুক্রবার (৪ জুলাই) রামপুরা ও আশেপাশের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ আর হতাশা।
মুরগির দাম বাড়লেও সোনালি ও লেয়ার মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।
-
সোনালি মুরগি: ২২০ টাকা/কেজি (পূর্বে ২২৫–২৩০)
-
লায়ার মুরগি: ২২০–২৩০ টাকা/কেজি (পূর্বে ২৩০–২৪০)
-
গরুর মাংস: ৭৮০ টাকা/কেজি (অপরিবর্তিত)
-
খাসির মাংস: ১১০০–১২০০ টাকা/কেজি (অপরিবর্তিত)
রামপুরা বাজারে আসা ক্রেতা আব্দুল আলিম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“গরু-খাসির মাংস তো খাওয়ার মতো না। ব্রয়লারই ছিল একমাত্র উপায়। সেটার দামও এখন নাগালের বাইরে।”
আরেক ক্রেতা মমিনুর রহমান জানান,
“ব্রয়লারের দাম কম বলে মাসে কয়েকবার খাওয়া হতো। এখন সেটারও দাম বেড়ে যাওয়ায় কী করব বুঝতেছি না।”
বাজারে মুরগি বিক্রেতা জুয়েল আহমেদ বলেন,
“ঈদের পর কিছুটা চাহিদা কম ছিল, এখন আবার চাহিদা বাড়ায় দামও বাড়ছে। তবে হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধির পেছনে ফার্ম পর্যায়েও সরবরাহ সংকট রয়েছে।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি বছর কোরবানির ঈদের পর কিছুদিন মাংসের চাহিদা কমে যায়, তবে ধীরে ধীরে তা আবার বাড়তে থাকে। সরবরাহ চেইনে সামান্য ব্যাঘাত বা ফিড খরচ বাড়লেও দ্রুত দাম বাড়ে ব্রয়লারে। ফলে প্রভাব পড়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর।

