ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতিদের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আজ আবারো শক্ত ভিত্তিতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গাজায় ইসরায়েলি হামলা স্থগিত না হলে, হুতিরা “অভিযান অব্যাহত থাকবে” বলে ঘোষণা করেছে।
হামলার চেইন রিঅ্যাকশন
-
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
হুতিদের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, তারা গাজা থেকে ইসরায়েলের বেন গুরিওন বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের সারাজীবনীয় নিরাপত্তা প্রভাবিত করা। -
ইসরায়েলের প্রতিশোধ
প্রতিশোধ হিসেবেই ইসরায়েলি বিমান বাহিনী হামলা চালায় লোহিত সাগরীয় উপকূলে—হোদেইদাহ, রাস-ইসা ও আস-সালিফ বন্দরে, পাশাপাশি রাস কাথিব বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং হুতিদের দখলে থাকা “Galaxy Leader” জাহাজে । -
মার্কিন ও আন্তর্জাতিক সতর্কতা
জাতিসংঘসহ বিশ্বজুড়ে মেরিটাইম নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এই হামলায় বন্দর ও সামুদ্রিক পথের স্থিতিশীলতা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে ।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস জানায়, রেড সি–তে বাণিজ্যিক একটি জাহাজ আরপিজি ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হুতিদের হামলার শিকার হলেও নিরাপত্তা টিমের তৎপরতায় প্রাণহানি হয়নি।
রোববার রাত ৯টার পর দক্ষিণ গাজা থেকে একটি রকেট নিক্ষেপ করা হয় নিরিম এলাকায়, তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। হামলার দায় আল-কাসাম ব্রিগেড গ্রহণ করেছে ।
বিশ্লেষকদের মতে, হুতিদের অভিযানের লক্ষ্য প্রধানত গাজাতেই ইসরায়েলি হস্তক্ষেপ বন্ধ করানো, এবং তা না হলে তারা নামবাজী নয়, কার্যকর প্রতিরোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

