শ্রীলঙ্কা সফরে ব্যাটিং হোক বা বোলিং—দুই বিভাগেই ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সে ভুগছে বাংলাদেশ দল। টেস্ট সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতেও সেই ধারাবাহিক ব্যর্থতা স্পষ্ট। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে যেমন ভুল একাদশ আর ব্যাটিং লাইনআপে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দল, তেমনি পারফরম্যান্সেও ছিল না কোনো জ্বলে ওঠার মতো মুহূর্ত।
বিশ্লেষক ও ভক্তদের চোখে, প্রথম ম্যাচে একাধিক কৌশলগত ভুল ছিল স্পষ্ট। ইনফর্ম ব্যাটার জাকের আলী অনিককে একাদশে না রাখা, ফর্মহীন লিটন দাসকে গুরুত্বপূর্ণ তিন নম্বরে খেলানো, টপ অর্ডারে সফল নাইম শেখকে নামানো হয় চার নম্বরে, যেখানে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তবুও ২৯ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থেকে কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেন নাইম।
অন্যদিকে, সাবলীল ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত শামীম পাটোয়ারীকেও খেলানো হয় সাত নম্বরে। মাত্র ৫ বল খেলে ২ ছক্কায় ১৪ রানে অপরাজিত থাকলেও, সময় ছিল না ইনিংস গড়ার। অলরাউন্ডার সাইফউদ্দীন ছিলেন একেবারেই ব্যবহারবহির্ভূত।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যখন হাতে ছিল ৫ উইকেট, তখনও কেন বাংলাদেশ বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হলো? শেষ পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে থেমে যায় মাত্র ১৫৩ রানে।
দলের ভেতরের এই অব্যবস্থাপনা এবং অকার্যকর কৌশল নিয়েই চলছে আলোচনা। ভক্তদের মূল প্রশ্ন—
১৩ জুলাই দ্বিতীয় ম্যাচে টিম ম্যানেজমেন্ট কি ভুল থেকে শিক্ষা নেবে? নাকি আবারো একই ছন্দপতনের আশঙ্কা নিয়ে মাঠে নামবে লিটনের দল?
পরিস্থিতি যাই হোক, দ্বিতীয় ম্যাচটি হবে দলের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার বড় পরীক্ষা।

