লিওনেল মেসি ও বার্সেলোনা—ফুটবল বিশ্বে একসময়ের অবিচ্ছেদ্য নাম। ১৭ বছরের সম্পর্ক শেষ করে পিএসজি ঘুরে বর্তমানে ইন্টার মায়ামিতে পা রাখেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ইতোমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে মেসির মায়ামির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ। এরপর থেকেই জল্পনা—এবার কি তবে ফিরছেন পুরনো ঘরে?
বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ যদিও বহু আগে থেকেই ইঙ্গিত দিয়ে আসছে, ক্লাবের নবনির্মিত স্পোটিফাই ক্যাম্প ন্যু স্টেডিয়ামের উদ্বোধন উপলক্ষে মেসিকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। সেই ম্যাচে তাকে আবারও একবার বার্সার জার্সিতে দেখা যেতে পারে—এমন কথাও ঘুরছে আলোচনায়।
তবে এ ব্যাপারে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
মেসির ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, বার্সার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এমনকি মেসির এজেন্টও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ফলে গুঞ্জন যতই থাকুক, আপাতত আলোচনার টেবিলে নেই কোনো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব।
বার্সেলোনার ঐতিহাসিক ঘরের সংস্কার কাজ চলছে পুরোদমে। ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুটি ধাপে হবে ক্যাম্প ন্যু-র উদ্বোধন। প্রথম ধাপ ১০ আগস্ট, জোয়ান গাম্পার ট্রফি উপলক্ষে। দ্বিতীয় ধাপ, পুরো স্টেডিয়ামের কাজ শেষ হওয়ার পর, যা সম্পন্ন হতে পারে ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে—যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ শুরুর সময়ের আশপাশে।
সেই সময়ই বার্সেলোনা আয়োজন করতে পারে একটি আনুষ্ঠানিক বিদায়ী ম্যাচ, যেখানে মেসিকে আবারও মাঠে দেখা যেতে পারে বার্সার হয়ে।
বার্সার ভাইস প্রেসিডেন্ট এলেনা ফোর্ট বলেন,
“মেসি আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবলার। তাকে যথাযথ সম্মান জানিয়ে বিদায় জানানো আমাদের দায়িত্ব। তবে তার আগে ক্যাম্প ন্যুর কাজ শেষ হওয়াটা জরুরি।”
মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে তাই এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। যুক্তরাষ্ট্রেই থাকবেন নাকি নতুন কোনো ক্লাবের জার্সি গায়ে চাপাবেন—তা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে বার্সায় একটি ‘বিদায়ী ম্যাচ’ খেলে ক্লাব ও সমর্থকদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেয়ার আগ্রহ যে মেসিরও আছে, সেটি জানা গেছে একাধিক স্প্যানিশ গণমাধ্যম সূত্রে।

