সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলায় অধস্তন আদালতের রায় ‘নিরপেক্ষ ছিল না’ বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে হাইকোর্ট।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিতে বিচারিক প্রক্রিয়ার একাধিক অনিয়ম তুলে ধরা হয়।
রায়ে উল্লেখ করা হয়, মাত্র দুই মাস চার দিনে ৪২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং এরপর আট দিনের ব্যবধানে রায় ঘোষণা—এই বিচারিক গতিবিধি প্রমাণ করে যে প্রক্রিয়াটি নিরপেক্ষ ছিল না।
এছাড়া জুবাইদা রহমানকে নোটিশ না করা এবং অভিযোগ গঠনে আইনি ব্যত্যয়ের বিষয়টিও রায়ে গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়েছে।
হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক বেঞ্চ এ রায় দেন। এর আগে গত ২৮ মে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করে আদালত।
২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দায়ের হওয়া এ মামলায় ২০২৩ সালের ২ আগস্ট ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত তারেক রহমানকে ৯ বছর এবং জুবাইদা রহমানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়।
খালাসের পরিপ্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত দুদক হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেনি।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত ৬ মে লন্ডন থেকে দেশে ফিরে হাইকোর্টে আপিল দায়ের করেন জুবাইদা রহমান।

