দেশজুড়ে আবারও সক্রিয় হতে যাচ্ছে মৌসুমি বৃষ্টিপাত। বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) সোমবার (২১ জুলাই) এক ফেসবুক পোস্টে জানায়, ২৪ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত ধাপে ধাপে সারাদেশেই বৃষ্টির প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
আবহাওয়া বিশ্লেষকদের মতে, এটি একটি প্রায় পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টিবলয়— যার ব্যাপকতা ও স্থায়িত্ব আগের অনেক নিম্নচাপ বা বৃষ্টিপাত পরিস্থিতির তুলনায় বেশি। ফলে উপকূলীয় ও নিম্নাঞ্চলগুলোতে বিশেষ সতর্কতা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কোন কোন অঞ্চলে বেশি প্রভাব পড়বে?
-
সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত অঞ্চল:
চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগ।
এখানে টানা ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে, যার ফলে জলাবদ্ধতা ও নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে। -
মাঝারি মাত্রার প্রভাব:
ঢাকা, সিলেট ও রাজশাহী বিভাগ।
বৃষ্টিপাত হবে নিয়মিত, তবে তাৎক্ষণিক দুর্যোগের শঙ্কা কম। -
প্রায় মাঝারি মাত্রার প্রভাব (২৮ জুলাইয়ের পর):
রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ।
চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া যদিও কালবৈশাখীর সম্ভাবনা নেই, তবু বজ্রপাত ও দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। উপকূলীয় অঞ্চলে লঘুচাপের কারণে সাগর উত্তাল থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বিডব্লিউওটির ভাষ্য অনুযায়ী, “এটি একটি মৌসুমি প্রভাবিত চক্র, তবে এর ধাক্কা বহুস্তরীয় ও ব্যাপক। জনগণকে যথাসম্ভব সতর্ক ও প্রস্তুত থাকতে হবে।”
কী করবেন এই সময়ে?
-
উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
-
পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
-
বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, জলাশয় ও উঁচু গাছ থেকে দূরে থাকতে হবে।

