বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থদের পুনর্মিলনের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ইন্টার মিয়ামি। লিওনেল মেসির দীর্ঘদিনের জাতীয় দলের সঙ্গী রদ্রিগো ডি পল এবার যুক্ত হচ্ছেন মিয়ামির আর্জেন্টাইন বাহিনীতে। শুক্রবার ক্লাব কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এই আনন্দের খবর জানিয়েছে।
৩১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার স্প্যানিশ ক্লাব অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ থেকে লোন চুক্তিতে মিয়ামিতে এসেছেন। প্রাথমিকভাবে চুক্তিটি ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত হলেও, মিয়ামির কাছে রয়েছে চুক্তি স্থায়ী করার বিকল্প, যা কার্যকর হলে ডি পলকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত মাঠে দেখা যাবে এমএলএসে।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সোনালি সাফল্যের অন্যতম রূপকার ছিলেন ডি পল। এবার সেই দলনেতা মেসির পাশে ক্লাব পর্যায়েও খেলবেন তিনি। কোচ হিসেবে মিয়ামিতে আছেন মেসির সাবেক সতীর্থ হাভিয়ের মাসচেরানো, যার অধীনেই তৈরি হচ্ছে আর্জেন্টিনার “রিইউনিয়ন স্কোয়াড”।
তবে ডি পলের জন্য ইন্টার মিয়ামির শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়া সহজ হবে না। বর্তমানে দলের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি জায়গায় আছেন লিওনেল মেসি, জর্ডি আলবা, এবং সার্জিও বুসকেটস। তবুও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তাকে নিয়ে বড় কিছু ভাবছে ক্লাবটি।
মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার পর নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করেছেন ডি পল।
“ইন্টার মিয়ামিতে আসার পেছনে আমার লক্ষ্য একটাই—প্রতিযোগিতা করা, শিরোপা জয় এবং ক্লাবের ইতিহাসে নিজের নাম লেখানো। এই ক্লাবটি একদিন কিংবদন্তি হয়ে উঠবে—এমনটা আমি বিশ্বাস করি।”
ডি পল ছিলেন ডিয়েগো সিমিওনের অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়দের একজন। গত মৌসুমে তিনি ক্লাবের হয়ে ৫৩টি ম্যাচ খেলেছেন, যার মধ্যে তিনটি ছিল ক্লাব বিশ্বকাপের। এক বছরের মতো তার চুক্তি বাকি থাকলেও, সময়ের আগেই নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন আর্জেন্টাইন এই তারকা।
ইন্টার মিয়ামির এই দল গঠন কৌশল দেখে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ক্লাবটি শুধু মার্কেটিং নয়, মাঠের খেলাতেও আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে। মেসি-বুসকেটস-আলবার পর ডি পল—সব মিলিয়ে মিয়ামি হয়ে উঠছে “আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় দল”।

