ভারত-বাংলাদেশ রাজনৈতিক সম্পর্ক ও নির্বাসিত আওয়ামী লীগ নেতাদের মন্ত্রণার বিষয়ে ভারত সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এনসিপির সুদূর উত্তরের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের ফেসবুক পোস্ট ও স্বাধীন বিশ্লেষকদের মন্তব্য অনুসারে ভারত নিষিদ্ধ নেতাদের সাথে যে কোনো রাজনৈতিক যোগাযোগ সীমাবদ্ধ করেছে।
নির্বাসিত নেতা না পেয়ে ছবি কায়েম করায় বাধা?
-
বিএনপির সাবেক মন্ত্রী হাসান মাহমুদ, যিনি দীর্ঘ সময় লন্ডনে অবস্থান করছেন, দিল্লিতে প্রবেশের পর আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে না পারায় হতাশ।
-
যুবলীগের সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরীও ভারতে অবস্থান করলেও, তার স্বৈরাচারী নেত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ স্থগিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক সংকেত ও দ্বিধাবিভক্ত কূটনীতি
-
ভারতের দিকে থেকে এই আচরণকে কেউ কেউ এক ফ্ল্যাগ হিসাবে দেখছেন—যাতে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে তারা বাংলাদেশে কোনও নিষিদ্ধ বা বিতর্কিত রাজনৈতিক গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষকতা করছে না।
-
অন্যদিকে, তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য না করলেও এই নীরবতা কিছু বিশ্লেষকের মতে আসন্ন নির্বাচনকে প্রভাবিত করার রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে।
দুই দেশের কূটনৈতিক সমুচিত দূরত্ব?
-
কূটনীতিকরা বলছেন, ভারত যদি নিষিদ্ধ নেতাদের সঙ্গে সরকারি সম্পর্ক বন্ধ রাখে, তা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কোনও পক্ষপাতিত্ব নয়।
-
তবে রাজনীতির যক্ষ্মা এড়াতে সাম্প্রতিক এই বাধাবিধি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে এক নিরব বিশ্বাস বা ব্যাস-লাইন তৈরি করতেও পারে।

