সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
Logo

সহজ হলো বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ নীতিমালা

ডেস্ক রিপোর্ট।।

বিশেষায়িত শিল্পাঞ্চলের রপ্তানিকারকদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা (এফসি) সংরক্ষণ নীতিমালায় শিথিলতা এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। টাইপ বি ও টাইপ সি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন করে সহজ করা হয়েছে রপ্তানি আয়ের ব্যবস্থাপনা।

রোববার (১০ আগস্ট) এক সার্কুলারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল ও সাধারণ (অ-বিশেষায়িত) অঞ্চলের রপ্তানিকারকদের মধ্যে বৈষম্য দূর করতে এই সমন্বিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন নীতিতে বলা হয়েছে—

  • ব্যাক-টু-ব্যাক আমদানি দায় পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত রপ্তানি আয় ব্যাক-টু-ব্যাক সেটেলমেন্ট পুলে রাখা যাবে।

  • এ পুলে শুধু আমদানি দায় নয়, স্থানীয় মূল্য সংযোজনের অংশও রাখা যাবে, যা ৩০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব।

  • ৩০ দিনের মধ্যে অব্যবহৃত অর্থ অন্য ব্যাংকে স্থানান্তর করে সংশ্লিষ্ট আমদানি দায় মেটানো যাবে। সময় পেরিয়ে গেলে অর্থ নগদায়ন করতে হবে।

এছাড়াও:

  • মোট রপ্তানি আয়ের ২০% (গার্মেন্টস খাতে ২৫%) রূপান্তরের পর অবশিষ্ট অংশ রপ্তানিকারকের এফসি হিসাবে জমা রাখা যাবে।

  • ব্যাক-টু-ব্যাক পদ্ধতি ছাড়াও যারা রপ্তানি করেন, তারাও ৩০ দিন পর্যন্ত এফসিতে আয় সংরক্ষণ করতে পারবেন।

ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, এই নীতিগত পরিবর্তন রপ্তানিকারকদের জন্য তরলতা (লিকুইডিটি) ব্যবস্থাপনায় স্বাচ্ছন্দ্য এনে দেবে এবং নীতিগত সমতা বজায় রাখবে।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে নীতিমালায় সমতা আনার দাবি জানানো হচ্ছিল।

এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) এক সদস্য বলেন, “এই পদক্ষেপ শুধু রপ্তানিকারকদের জন্য ইতিবাচকই নয়, বরং সামগ্রিকভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবস্থাপনাকে আরও শক্তিশালী করবে।”

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন