ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, “জুলাই বিপ্লব কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ এনে দিয়েছে। এই সুযোগ যদি কাজে না লাগানো যায়, তবে তা ভবিষ্যতে অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”
বুধবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি কাউন্সিল হলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ মাদরাসা ছাত্র-শিক্ষক পরিষদের আয়োজনে আয়োজিত সেমিনারের শিরোনাম ছিল— ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষক, ছাত্র ও আলেম সমাজের করণীয়’।
ড. খালিদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আলেম সমাজ কখনো নেতৃত্বে, আবার কখনো নীরব ভূমিকা রেখে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখেছে। এ সমাজের দায়িত্ব এখন আরও বেড়েছে— তারা কেবল ধর্মীয় নয়, নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনেও অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে।”
তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণআন্দোলনে মাদরাসা ছাত্রদের ভূমিকা ছিল ব্যতিক্রমী। “তারা শুধু অংশগ্রহণ করেনি, নেতৃত্বও দিয়েছে। রণকৌশল, সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে আন্দোলনকে গতিময় করেছে।”
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী কানুন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মাওলানা আবু তাহের জিহাদি। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী ও মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন রাজী।

