২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলার মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় চ্যালেঞ্জ করতে রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
গত ১ জুন আপিল বিভাগ এই অনুমতি দেয়। এর ফলে, যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবারসহ সব আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় আইনি লড়াইয়ের পথ উন্মুক্ত হলো।
এর আগে, ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক বিস্ময়কর রায়ে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সব আসামিকে খালাস দেন। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করে বলেন, “মামলার বিচার প্রক্রিয়া আইনসঙ্গতভাবে পরিচালিত হয়নি এবং এটি আইনি ভিত্তিতে টেকসই নয়।” আদালত চার্জশিটকেও ‘আইনত অগ্রহণযোগ্য’ বলে মত দেন।
এই রায় রাজনৈতিক ও জনমনে বিস্তর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, বিশেষ করে এমন একটি মামলায় যেখানে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছিলেন। তারেক রহমান ও লুৎফুজ্জামান বাবর ছিলেন দুই প্রধান আসামি।
রায় ঘোষণার পর, ওই বছরের ২৭ নভেম্বর মামলার রায় ডেথ রেফারেন্স আকারে হাইকোর্টে পৌঁছায়।

