রাজধানীর মৌচাক মার্কেটের পাশে অবস্থিত রমনা থানা বিএনপির কার্যালয় এবং কাউন্সিল অফিস গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। ২০০৯ সালে এই ঘটনায় বিএনপির কার্যালয় ধ্বংসের পর ওই জায়গায় ১০টির মতো দোকান তৈরি করে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা ভাড়া নিয়ে আসছিলেন।
১৬ বছর পর গত সোমবার মামলা করেছেন তৎকালীন ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও রমনা থানা বিএনপির সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে ২০ থেকে ৩০ অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আরিফুল ইসলাম আরিফ অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকও ছিলেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর আসামিরা পরিকল্পিতভাবে বিএনপি কার্যালয় ভেঙে ফেলার জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের নেতৃত্বে বুলডোজার ও আগুন ব্যবহার করে ধ্বংস করে। সেই সময় জিয়া পরিবারের ছবিসহ গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী পুড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের বাধা দিতে গেলে পিস্তল বের করে ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম ফারুক জানান, মামলাটি রমনা থানায় দায়ের হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। মামলার তদন্তকর্তা উপপরিদর্শক আবুল বাশার জানান, তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে এবং শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাদী আরিফুল ইসলাম আরিফ জানান, দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার কারণে মামলা করতে পারেননি। তবে এখন তিনি চেয়েছেন মামলার সব অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে। তিনি আরও জানান, ওই জমি স্কুলের, তাই স্কুলের অনুমতি নিয়ে সেখানে পুনরায় বিএনপি কার্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।

