প্রতিবেদনে গ্রেড–১ পদে ১২ জন, গ্রেড–২ পদে ৩২ জন ও গ্রেড–৩ পদে ৩৪ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতির জন্য উপযুক্ত বিবেচনায় সুপারিশ করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জনকে তিন ধাপ, ১৭ জনকে দুই ধাপ এবং ৫৫ জনকে এক ধাপ পদোন্নতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে অবসরপ্রাপ্ত ও পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে দ্বিতীয় ধাপে ৩১৮টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে তথ্য অসম্পূর্ণ ও কমিটির আওতাবহির্ভূত ১০৮টি আবেদন বাতিল করা হয়। অবশিষ্ট ২১০টি আবেদন বিস্তারিতভাবে যাচাই-বাছাই করে ১৪টি সভায় আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় কমিটি।
সুপারিশ না পাওয়া ১৩২ জন কর্মকর্তার বিষয়ে কমিটি জানিয়েছে, প্রতিটি ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট ও লিখিত ব্যাখ্যা রয়েছে কেন তাদেরকে পদোন্নতির উপযুক্ত মনে করা হয়নি।
প্রতিবেদন হস্তান্তরের সময় প্রধান উপদেষ্টার মুখ্যসচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়াও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বছর ১৬ সেপ্টেম্বর গঠিত এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি প্রথম ধাপে উপসচিব ও তদূর্ধ্ব পদে পদোন্নতি বঞ্চনার অভিযোগ পর্যালোচনা করে ডিসেম্বর ২০২৪-এ প্রথম প্রতিবেদন জমা দেয়। দ্বিতীয় ধাপে এবার প্রশাসন ক্যাডারের বাইরের বিভিন্ন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, এই সুপারিশের ভিত্তিতে অচিরেই প্রয়োজনীয় নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যাতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের অসন্তোষের একটি সম্মানজনক সমাধান হয়।

