রাজধানীতে নাশকতার পরিকল্পনা ও অর্থায়নের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাদ্দাম হোসেন পাভেলসহ দলটির অঙ্গসংগঠনের আরও সাত নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেন ডিএমপি’র মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
ডিবি জানায়, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আটটি পৃথক অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গ্রেফতার হন:
-
সাদ্দাম হোসেন পাভেল (৫০) – সাবেক এমপি, নীলফামারী-৩
-
তানজিল হোসেন অভি (২৯) – ছাত্রলীগ নেতা, বাউফল
-
আনিসুর রহমান হাওলাদার (৪৩) – যুবলীগ নেতা, বাউফল
-
একেএম খোরশেদ আলম (৬৫) – বঙ্গবন্ধু কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা
-
দেলোয়ার হোসেন বাবলু (৬১) – ৩২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, বংশাল
-
আল মামুন ভুইয়া (২৯) – যুবলীগ, উত্তরা
-
কায়কোবাদ ওসমানী (৫৩) – যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি
-
আনোয়ার হোসেন (৬০) – সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, মুন্সিগঞ্জ
ডিসি তালেবুর রহমান জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিরা রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ঝটিকা মিছিল, আতঙ্ক ছড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
তিনি বলেন, “তারা সংগঠিতভাবে রাজধানীতে বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টায় ছিল। আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”
এই ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, কারণ গ্রেফতারকৃতদের সবাই আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের সক্রিয় নেতা-কর্মী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষয়টি দলের ভেতরে সম্ভাব্য বিভাজন, অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনার সংকেতও হতে পারে।

