নেপালে দিনরাত ব্যাপী চলা বিক্ষোভ ও সহিংসতার চাপ থেকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন কে পি শর্মা ওলি। তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইনডিটিভি দাবি করেছে যে, পিপলস প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌদেলও একই পরিস্থিতির মুখে পদত্যাগ করেছেন।
নেপালের রাজনৈতিক অঙ্গনে ঐতিহাসিক এক মুহূর্তে পৌঁছেছে দেশ, যেখানে একই দিবসে দেশ উপাধ্যক্ষ ও প্রধানমন্ত্রী—দু’জন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন বলে পৌঁছেছে সংবাদ, যদিও এই তথ্যে এখনও নিয়ন্ত্রণপ্রাপ্ত কোনো আনুষ্ঠানিক উত্স নিশ্চিত করা যায়নি।
প্রথমে ইনডিটিভি প্রতিবেদন জানিয়েছে, ওলির পদত্যাগের পর নিজের পরিবর্তে রাজনৈতিক ভাঙনের ঝুঁকি এড়াতে প্রেসিডেন্টও নিজেকে রেখে দিচ্ছেন। যদিও এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।
গণ-সহিংসতার প্রেক্ষাপট
-
নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৯ জন নিহত এবং শতাধিক আহত, যা ঘটনায় জনসাধারণের রোষের তীব্রতা বাড়িয়েছে।
-
প্রপাগান্ডার প্রভাবে নয়, সমাজের তরুণ প্রজন্ম—তাদেরকে ‘Gen Z protests’ বলা হচ্ছে—বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছে।
-
বিক্ষোভে দেশজুড়ে সংসদ ও সুপ্রিম কোর্টে অগ্নিসংযোগ, এবং দেশের রাজনৈতিক ভবন ও নেতাদের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা বিনষ্ট করেছে।
ওলির পদত্যাগ করার পর রাজনৈতিক ভঙ্গুরতা আরও ভীষণ প্রকৃতিতে ঢুকে পড়েছে। সরকারের পতন না ঘটলেও এ পরিস্থিতিতে নেপাল সংকটের মুখে—গতিশীলতা প্রশ্নবিদ্ধ।

