ক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার পর এবার ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে ফ্রান্স। দেশটির কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে আন্তর্জাতিক সংহতি জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে ফ্রান্স। একই সঙ্গে ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশও খুব শিগগির এই পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আভাস মিলেছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনকে সামনে রেখে নিউইয়র্কে একাধিক বৈঠকে এই বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশ্ব নেতারা গাজায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে একটি টেকসই দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পক্ষে একমত হতে যাচ্ছেন বলেও জানা গেছে।
এদিকে, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর, ইসরায়েলের পশ্চিম তীর দখলের হুমকিকে “বিপজ্জনক প্রতিক্রিয়া” বলে অভিহিত করেছেন যুক্তরাজ্যের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার। তিনি বলেছেন, “এ ধরনের ঘোষণা শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথকে আরও জটিল করে তুলবে।”
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির সিদ্ধান্তকে “সন্ত্রাসের প্রতি পুরস্কার” হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “এটি বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করবে এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।”
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ এবং পশ্চিমা বিশ্বের একের পর এক দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে এ পদক্ষেপ দীর্ঘদিনের দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের পথকে আরও সুগম করতে পারে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং ইসরায়েলের পাল্টা প্রতিক্রিয়া ঘিরে যে সহিংসতা শুরু হয়, তার রেশ এখনো কাটেনি। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ওপর জোর দিলেও শান্তিপূর্ণ সমাধান এখনো অধরাই রয়ে গেছে।

