এশিয়া কাপের জমজমাট লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। টুর্নামেন্টের ‘সুপার ফোর’-এ এটি কার্যত একটি অঘোষিত সেমিফাইনাল, কারণ জয়ী দলই পাবে ফাইনালের টিকিট—যেখানে প্রতিপক্ষ ভারত।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে।
ভারতের বিপক্ষে আগের ম্যাচে হারলেও, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টানা দুই জয় বাংলাদেশ শিবিরে ফিরিয়েছে আত্মবিশ্বাস। এ ছাড়া এশিয়া কাপ শুরুর আগে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২-১ সিরিজ জয়ও দলের মানসিক শক্তি বাড়িয়েছে।
বাংলাদেশ দলে ইতিবাচক দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে তরুণ লেগস্পিনার রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত ফর্ম, যিনি ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেছিলেন। পেসার তানজিম হাসান সাকিব ও মোস্তাফিজুর রহমান রান চাপে রাখায় বোলিং ইউনিট ইতিবাচক। ব্যাট হাতে সাইফ হাসান ব্যাক-টু-ব্যাক ফিফটিতে এখন দলের ভরসা।
বাংলাদেশ দলে আজ ফিরতে পারেন অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ ও ওপেনার লিটন দাস। ইনজুরি কাটিয়ে তাঁদের ফেরা হলে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই বাড়বে ভারসাম্য।
অন্যদিকে পাকিস্তান এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেনি। ভারতের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারলেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাবর আজমের দল। তবে উদ্বোধনী ব্যাটিং এখনো ভঙ্গুর—শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাত্র ১২ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছিল তারা।
পাকিস্তানের জন্য আশার জায়গা—হুসেইন তালাত ও মোহাম্মদ নওয়াজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য। তালাত বল হাতে ১ ওভারে ২ উইকেট ও ব্যাট হাতে দলকে রক্ষা করেছেন। নওয়াজ, যদিও শেষ দুটি ম্যাচে বল করেননি, ব্যাটিংয়ে দারুণ অবদান রেখে চলেছেন।
দুই দলই ম্যাচের আগে সমানভাবে চাপ ও প্রত্যাশায় আছে। বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভালো খেললেও, সংযুক্ত আরব আমিরাতে পিচ ও কন্ডিশনে পাকিস্তান তুলনামূলক বেশি অভ্যস্ত।
তবে ক্রিকেট বোদ্ধাদের মতে, আজকের ম্যাচে নির্ধারক হবে ব্যাটিং লাইনআপের ধৈর্য ও মিডল ওভারে বোলারদের নিয়ন্ত্রণ।

