বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
Logo

নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল ছিল না: ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি

ডেস্ক রিপোর্ট।।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্যকে “মিথ্যা ও অপপ্রচার” বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন,

“ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল অধিবেশন কক্ষে ছিল— এ দাবি ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এটি পতিত শক্তির একটি নতুন অপচেষ্টা।”

ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারির ভাষ্যমতে, স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ৯টায় নিউইয়র্কের একটি হোটেলে নিজামী গাঞ্জাভি ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার-এর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক ছিল। পরে সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন।

তিনি বলেন,

“এই দুটি বৈঠক শেষে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সাধারণ পরিষদের হলে প্রবেশ করে, তখন সেখানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন সেন্ট ভিনসেন্টের প্রধানমন্ত্রী রালফ গনজালভেস। তার আগেই ইসরায়েল, চীন এবং পাকিস্তানের বক্তব্য শেষ হয়ে গিয়েছিল।”

সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো কিছু ছবি ও ভিডিওতে বাংলাদেশের আসনগুলো ফাঁকা দেখা যায়, যা থেকে অনেকেই ধরে নেন প্রতিনিধি দল হয়তো নেতানিয়াহুর বক্তৃতার সময় উপস্থিত ছিল। তবে আজাদ দাবি করেন,

“বাংলাদেশের আসন ফাঁকা থাকার অর্থ এই নয় যে তারা নেতানিয়াহুর বক্তব্য উপেক্ষা করেনি কিংবা সমর্থন করেছে। বিষয়টি ঘোর অপপ্রচার।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় জাতিসংঘে ৫০টির বেশি দেশের ১০০+ কূটনীতিক বিক্ষোভস্বরূপ সভা ত্যাগ করেন।
টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, কেবল মুসলিম রাষ্ট্র নয়, আফ্রিকা ও ইউরোপেরও একাধিক দেশের কূটনীতিকও ওয়াকআউট করেন।
হলরুমে বসা কিছু প্রতিনিধিকে হাততালি দিতে দেখা গেলেও, অনেক চেয়ার ছিল ফাঁকা।

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিন প্রশ্নে ন্যায়সঙ্গত সমাধান এবং দুই রাষ্ট্র ভিত্তিক শান্তিপূর্ণ সমঝোতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার সাম্প্রতিক জাতিসংঘ ভাষণেও গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা ও আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন