অদ্য ২৮/০৯/২০২৫ ইং রোজ রবিবার বাংলাদেশ মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিবারের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সীরাতুন্নবী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিজ অর্থায়নেসারা বাংলাদেশে জেলা উপজেলা ও সিটি শহরে ৫৬০ টি মডেল মসজিদ তৈরী পৃথিবীর ইতিহাসে বিরলদৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ৩৫০ টি মডেল মসজিদের উদ্বোধন হয় এবং অত্যন্ত যাচাই-বাছাইয়ের পর দক্ষ ও যোগ্য ইমাম মুয়াজ্জিন খাদেম নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে।এতে বহু আলেমদের উত্তম কর্মক্ষেত্রও তৈরী হয়েছে।বস্তত উদ্বোধনকৃত মডেল মসজিদগুলো ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা,সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ বিরোধী জনসচেতনতা,নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনশক্তি তৈরী, সভ্যতা ও ইসলামি সংস্কৃতি প্রচারে এক বিশাল ভুমিকা রেখে চলেছে।মডেল মসজিদের জনবলকে স্কেলভূক্ত করে রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মহাপরিচালক জনাব আ.ছালাম খান (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) এর সভাপতিত্যে দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরামের উপস্থিতি ও আলোচনার মাধ্যমে তারা অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড.শামসুল আলম (উপচার্য, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়),সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী(বোর্ড অব গভর্নর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ),আল্লামা মাহফুজুল হক (বোর্ড অব গভর্নর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ),অধ্যক্ষ মাওলানা শাহ মোঃনেছারুল হক(বোর্ড অব গভর্নর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ),ড.খলিলুর রহমান মাদানী (বোর্ড অব গভর্নর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ),জনাব মোঃ শহিদুল ইসলাম (প্রকল্প পলিচালক, মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র),জনাব মাহমুদুর রহমান (সম্পাদক, দৈনিক আমার দেশ),অনুষ্ঠানে ইসলামি আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,আল্লামা মামুনুল হক(সিনিয়র মুহাদ্দিস, জামিআ রাহমানিয়া আরাবিয়া,ঢাকা),অধ্যাপক ড.আব্দুল্লাহ ফারুক(সভাপতি, বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদিস),মুফতি রেজাউল করিম আবরার (প্রধান মুফতি,জামিআ মাহমুদিয়া যাত্রাবাড়ী ঢাকা)।
অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ এর জীবনীর উপর আলোচনার পাশাপাশি বলেন, সারা বাংলাদেশের মডেল মসজিদের মিম্বার থেকে ইমামরা ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা মানুষের দোর গোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন। বক্তারা আরও বলেন,সারা বাংলাদেশে মডেল মসজিদগুলোতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে দেশ ও জাতির জন্য দুআ করাহয়। সর্বশেষ দেশ-জাতির কল্যান কামনা করে দুআর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন।

