গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার কড়া জবাব দিতে নতুন করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইয়েমেনি সামরিক বাহিনী। এই হামলার ফলে ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় অঞ্চল ও পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে এবং আতঙ্কে হাজার হাজার বসতি স্থাপনকারী বোম-শেল্টারে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।
ইসরায়েলি মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, রামলা, বে’র ইয়াকোভ, লড, রেহোভত, মোদিইন ও লাচিশ এবং পশ্চিম তীরের কিছু স্থানে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়। কেন্দ্রীয় অঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, যা সম্ভবত ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র আটকানোর প্রচেষ্টার ফল।
এই হামলার প্রভাবে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর-এর আকাশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়, যা ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়। যদিও এখন পর্যন্ত এই হামলায় সরাসরি কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী পরে দাবি করেছে যে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্রটি আটকাতে সক্ষম হয়েছে।
ইয়েমেনি বাহিনী এই হামলার দায় স্বীকার করে স্পষ্ট জানিয়েছে যে, গাজায় ইসরায়েলের ভূমি ও বিমান হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই অভিযান তারা চালিয়ে যাবে। তারা আরও জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলের সংবেদনশীল লক্ষ্যগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের চলমান হামলায় গাজায় ইতোমধ্যে ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বিশাল অংশ নারী ও শিশু। ইয়েমেনিদের এই হামলা ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি তাদের সংহতির প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

