বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা দিয়েছে যে, বিপিএল (বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ)-এর ১২তম আসরের ড্রাফট আগামী ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশগ্রহণকারী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো নতুন দল গঠন ও পরিকল্পনাকে সামনে রেখে প্রস্তুতির ধাপে ওঠে যাবে।
নতুন বোর্ডে দায়িত্বগ্রহণের মাত্র এক সপ্তাহ পার হওয়ার পরই বিসিবি এই ড্রাফটের তারিখ ঘোষণা করায়, ক্রিকেট অঙ্গনে উত্তেজনা বেশি। বোর্ড বলেছে, শিগগিরই সব ফর্মালিটি ও চুক্তি কার্যকর হবে, যাতে টুর্নামেন্ট সুখস্মৃতিতে আয়োজিত হয়।
এই আসরের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, এবং রানার্সআপ দল পাবে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। একই সঙ্গে টিকিট, টিভি রাইটস ও ডিজিটাল অর্থ আয় থেকে ৩০% অংশ অংশগ্রহণকারী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এই নতুন আয়বণ্টন নীতিমালা ফ্র্যাঞ্চাইজিদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্য বহন করবে বলে বোর্ডের প্রত্যাশা।
নতুন বোর্ড গঠন ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের পর, কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে অংশগ্রহণ বিষয়ে অনিচ্ছার বিস্তরণ ঘটেছিল। তবে বর্তমানে বোর্ড একাধিক দিক থেকে বাধাগুলি কাটিয়ে গতিপথে এসেছে।
নতুন বোর্ড ইতিমধ্যেই ক্রিকেট পরিচালন সংস্থা আইএমজি’র সঙ্গে তিন বছরের জন্য চুক্তি করেছে, যা টুর্নামেন্ট প্রচার ও আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ঘোষণা করা হয়েছে পাঁচ বছরের জন্য এবং ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি টাকা।
ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে হবে ১০ কোটি টাকা, এবং মূলত ঢামাকা, রংপুর, রাজশাহী ইতিমধ্যেই আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আলোচনা চলছে অন্যান্য বিভাগগুলোর সঙ্গে।
নতুন আসরে ফিক্সিং-প্রবণ খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ বন্ধ করা হবে—বিসিবি এই নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে। যদিও গ্রাহ্য কোনো নাম প্রকাশ করা হবে না, বোর্ড জানিয়েছে ব্যবহৃত নজরদারি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিনিধির অংশগ্রহনের সুযোগ রয়েছে।
বোর্ড প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরলে প্রথম বৈঠকে এই নীতিগুলি চূড়ান্ত করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

