বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
Logo

শিক্ষকদের ন্যায্য দাবিতে সংহতি, প্রয়োজনে যমুনা ঘেরাও- হুঁশিয়ারি গণঅধিকার পরিষদের

ডেস্ক রিপোর্ট।।

বাড়িভাড়া, মেডিকেল ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে চলমান আন্দোলনে থাকা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। দলটির সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন বলেন, “শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে প্রয়োজন হলে সচিবালয় কিংবা যমুনা ঘেরাও করতে হলেও গণঅধিকার পরিষদ প্রস্তুত রয়েছে।”

শনিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে রাজধানীর হাইকোর্টের সামনে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে যান তিনি।

সংহতি প্রকাশ করে রাশেদ খাঁন বলেন, “শিক্ষকরা দুর্নীতি করেন না, অনিয়মে জড়ান না। অথচ আমলারা সরকারি সব সুবিধা ভোগ করেন—বাসা, গাড়ি, বোনাস। শিক্ষকরা পান না ন্যূনতম সম্মানজনক ভাতাও। এটি বৈষম্য ও অবমাননার শামিল।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষকদের দাবি অনুযায়ী মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, ১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা প্রদান অত্যন্ত যৌক্তিক ও প্রয়োজনীয়। বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় এসব চাওয়া বিলাসিতা নয়, বরং টিকে থাকার শর্ত।”

গণঅধিকার পরিষদের নেতা অভিযোগ করেন, “যিনি শিক্ষকদের দেখভালের দায়িত্বে আছেন, সেই শিক্ষা উপদেষ্টা নিজেই শিক্ষক ছিলেন। অথচ আজ তিনি শিক্ষকদের দুর্দশা বোঝেন না। এটা লজ্জাজনক।”

আন্দোলনরত শিক্ষকরা স্লোগানে শিক্ষা উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন।

শিক্ষকদের উদ্দেশে রাশেদ বলেন, “আপনারা পিছিয়ে যাবেন না। গণঅধিকার পরিষদ আপনাদের পাশে আছে। আন্দোলন চলুক, সরকারকে দাবি মানতে হবে। আপনাদের সঙ্গে কোনো ধরনের টালবাহানা হলে আমরা রাস্তায় নামব।”

বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তিন দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন:

মূল বেতনের ২০% হারে বাড়িভাড়া ভাতা প্রদান,১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা,কর্মচারীদের জন্য ৭৫% উৎসব ভাতা।

বিগত কয়েক মাস ধরেই এ দাবিতে রাজপথে অবস্থান করছেন শিক্ষকরা, তবে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন