সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
Logo

রিশাদকে কেন সুপার ওভারে ব্যাটিং করানো হলো না জানালেন সৌম্য সরকার

ডেস্ক রিপোর্ট।।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ ম্যাচে টাইয়ের পর সুপার ওভার—সেখানেই যেন হোঁচট খেল বাংলাদেশ। আর ম্যাচ শেষে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয়: শেষ ওভারে ১৪ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকা রিশাদ হোসেনকে কেন সুপার ওভারে ব্যাটিংয়ে নামানো হয়নি?

বাংলাদেশ দল যখন ব্যাটিংয়ে নামায় সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্তকে—যারা পুরো ম্যাচে ছিলেন নিষ্প্রভ—তখন থেকেই প্রশ্নের ঝড় বইছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ফ্যানদের বক্তব্য স্পষ্ট: “ফর্মে থাকা রিশাদকে এড়িয়ে অভিজ্ঞতা ছাড়া সিদ্ধান্ত নেওয়াটা বোঝা গেল না।”

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি এই প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয় সৌম্য সরকারের দিকে। জবাবে তিনি কিছুটা কৌশলী, কিছুটা স্পষ্ট:

“এটা কোচ আর ক্যাপ্টেনের সিদ্ধান্ত ছিল। তারা যে পরিকল্পনা করেছিলেন, সেটাই বাস্তবায়ন করা হয়েছে।”

নাজমুল হোসেন শান্ত ব্যাখ্যা দেন ভিন্নভাবে।

“সম্ভবত আকিল হোসেন বাঁহাতি স্পিনার বলেই আমাকে আর সৌম্য ভাইকে ব্যাটিংয়ে পাঠানো হয়।”

উল্লেখ্য, ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম সুপার ওভার ম্যাচ। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর আগে একবার সুপার ওভারে খেলেছে—২০২৩ সালের বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ারে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে, যেখানে তারা হেরে গিয়েছিল।

তবে অভিজ্ঞতার ঘাটতি সত্ত্বেও সুপার ওভারে জয়ের ভালো সম্ভাবনা ছিল বাংলাদেশের। বিশেষ করে, শেষ ওভারে ৯ বল খেলার সুযোগ, ফ্রি হিট—সবই ছিল বাংলাদেশের পক্ষে।

শেষ ওভারে নো বল ও দুইটি ওয়াইড দেওয়ায় বাংলাদেশের সামনে সুযোগ ছিল ৯ বলে মাত্র ১১ রানের। কিন্তু সৌম্য সরকার নিজেই ফ্রি হিট কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে সৌম্য বলেন:

“হ্যাঁ, এটা আমার ব্যর্থতা। আমি পারিনি। এটা নিঃসন্দেহে আমার ফেইলিয়র।”

তিনি আরও বলেন, উইকেট খুব সহজ ছিল না, “এমন উইকেটে বড় শট খেলা কঠিন ছিল।”

তবে এমন অবস্থায় ডাবলস বা সিঙ্গেলস নিয়ে ম্যাচ জেতার চেষ্টা করা যেত না? এ প্রশ্নে সৌম্য জানান,

“আসলে সুপার ওভারে খেলার অভিজ্ঞতাই ছিল না। খুব একটা ভেবে ব্যাট করতে পারিনি। তবে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞতাটা কাজে লাগবে।”

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন