সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
Logo

পরিবেশ মূল্যায়নে জেলেদের জীবন-জীবিকাও বিবেচনায় আনতে হবে: ফরিদা আখতার

ডেস্ক রিপোর্ট।।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, পরিবেশ মূল্যায়নে শুধুমাত্র ইকোলজিক্যাল দৃষ্টিকোণ যথেষ্ট নয়; মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকা, পরিচয় এবং তাদের শ্রমের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিকেও মূল্যায়নের আওতায় আনতে হবে।

শনিবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর সিক্স সিজনস হোটেলে অনুষ্ঠিত ৭ম সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সম্মেলন-২০২৫–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সম্মেলনটি আয়োজন করে সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (সিএসডি) ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)।

ফরিদা আখতার বলেন, “বাংলাদেশ জলজ জীববৈচিত্র্যে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তাই প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং জেলেদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।”

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রাণিজ প্রোটিনের বড় অংশ আসে মাছ, ডিম ও অন্যান্য প্রাণিজাত খাদ্য থেকে, যা মূলত ক্ষুদ্র খামারিরা উৎপাদন করছেন এবং তাদের অধিকাংশই নারী। কিন্তু নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এই অবদান যথাযথ স্বীকৃতি পাচ্ছে না।

উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সামুদ্রিক জলসীমা রয়েছে, কিন্তু এখনো এ সম্পদ যথাযথভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। অবকাঠামো উন্নয়ন ও সড়ক নির্মাণে পর্যাপ্ত কালভার্ট না থাকায় বহু এলাকায় জলপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা মাছের বিচরণ ও প্রজনন ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

তিনি আরও বলেন, “মেরিন প্রটেকটেড এরিয়া ঘোষণা এবং বিভিন্ন পরিকল্পনার মাধ্যমে মাছ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেগুলো আরও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।”

সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউল্যাবের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ইমরান রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেঙ্গলি, সম্মানিত অতিথি ইউল্যাব বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের সদস্য সাইদা মাদিহা মুরশেদ এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শারমিন্দ নীলোরমী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন