সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
Logo

গণঅভ্যুত্থানের পরও বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে আশাপ্রদ উত্থান

ডেস্ক রিপোর্ট।।

‘গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী’ প্রথম বছরে বাংলাদেশে বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) ১৯.১৩ শতাংশ বেড়েছে। সাধারণত রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিদেশি বিনিয়োগ কমে যায়, তবে বাংলাদেশ উল্টো প্রমাণ দেখিয়েছে—দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগকারীদের প্রতি আস্থার কারণে এফডিআই বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অন্যান্য দেশে গণঅভ্যুত্থানের পর এফডিআই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। উদাহরণস্বরূপ, শ্রীলঙ্কায় ২০২২ সালের পর ১৯.৪৯ শতাংশ, চিলিতে ২০১৯ সালের পর ১৫.৬৮ শতাংশ, ইউক্রেনে ২০১৪ সালের পর ৮১.২১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এ ধারার বিপরীতে বাংলাদেশে এফডিআই ১৯.১৩ শতাংশ বেড়ে আশার প্রতিফলন দেখিয়েছে।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও অর্থনীতিকে পুনরায় সচল করার ক্ষমতা। সঠিক নীতি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আন্তরিকতা এবং প্রাইভেট সেক্টরের উদ্যমের কারণে এফডিআই বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা বিনিয়োগকারীদের সুবিধার জন্য সবসময় চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ৪৮৮.৭ মিলিয়ন ডলার, ২০২২ সালে বেড়ে ৬৭০.৭ মিলিয়ন ডলার, ২০২৩ সালে ৯২৪.৪ মিলিয়ন ডলার এবং ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে তা ১,০৯২.৯ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, দীর্ঘমেয়াদি নীতি সমর্থন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন