সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের প্রথম দিন লাঞ্চের আগে পর্যন্ত কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল সফরকারীরা। ২৬ ওভার শেষে ৯৪ রানে ১ উইকেট হারিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় তারা। তবে বিরতির পর চিত্র পাল্টে দেয় বাংলাদেশ বোলিং আক্রমণ।
লাঞ্চের পরই তাণ্ডব চালান তরুণ পেসার নাহিদ রানা ও অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। বিরতি থেকে ফিরেই প্রথম ওভারেই নাহিদ রানার বলে আউট হন অর্ধশতক করা পল স্টার্লিং। ৭৬ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৬০ রান করে বিদায় নেন এই ওপেনার।
এরপর পরের ওভারেই আঘাত হানেন মিরাজ। মাত্র ৬ বল খেলে ১ রান করা হ্যারি টেকটরকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে ফিরিয়ে দেন তিনি। ফলে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পড়ে আয়ারল্যান্ড।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২৯ ওভার শেষে আইরিশদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০১ রান। ক্রিজে আছেন কেড কারমাইকেল (৩৪) ও কার্টিস ক্যাম্ফার (১)।
দিনের শুরুতেই টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আইরিশ অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি। তবে দলের পক্ষে সুবিধা আনতে পারেননি তিনি। ইনিংসের প্রথম ওভারেই হাসান মাহমুদের বলে লেগ বিফোর হয়ে শূন্য রানে আউট হন বালবির্নি।
এরপর পল স্টার্লিং ও অভিষিক্ত ব্যাটার কেড কারমাইকেল দারুণভাবে ইনিংস গড়েন। দুজনের ৯৪ রানের জুটি আয়ারল্যান্ডকে লাঞ্চের আগ পর্যন্ত স্থিতিশীলতা এনে দেয়।
লাঞ্চের আগে স্টার্লিং ৭৩ বলে ৫৮ এবং কারমাইকেল ৭৯ বলে ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে তাদের আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংই প্রথম সেশনে বাংলাদেশকে হতাশ করে।
অধিনায়ক নজমুল হোসেন শান্ত দুই পেসার ও তিন স্পিনার নিয়ে খেলছেন এই ম্যাচে। পেস আক্রমণে আছেন হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা; স্পিনে মিরাজ, তাইজুল ইসলাম ও হাসান মুরাদ।
প্রথম সেশনে সুবিধা না পেলেও দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই নিজেদের ছন্দে ফেরেন নাহিদ ও মিরাজ, ফিরিয়ে দেন সেট ব্যাটারদের।
বাংলাদেশ একাদশ
সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, মুমিনুল হক, নজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, হাসান মুরাদ, নাহিদ রানা, হাসান মাহমুদ।
আয়ারল্যান্ড একাদশ
অ্যান্ডি বালবির্নি (অধিনায়ক), পল স্টার্লিং, কেড কারমাইকেল, হ্যারি টেকটর, কার্টিস ক্যাম্ফার, লরকান টাকার (উইকেটকিপার), জর্ডান নেইল, অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন, ব্যারি ম্যাকার্থি, ম্যাথ্যু হামফ্রিস, ক্রেইগ ইয়ং।

