মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
Logo

শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা হাদির

ডেস্ক রিপোর্ট।।

জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ঘোষণার দিনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আঠারো কোটি মানুষের প্রত্যাশা—আদালতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। যদি প্রকৃত ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয়, তাহলে এই গণহত্যার দায় থেকে কেউই রেহাই পাওয়ার সুযোগ নেই।”

হাদি দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্বর হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা প্রত্যক্ষভাবে জনগণের চোখের সামনে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে শিশু পর্যন্ত রেহাই পায়নি। মানুষের মস্তিষ্ক উড়ে গেছে, লাশ পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে—এগুলো আমরা দেখেছি।”

তিনি মনে করেন, আদালত যদি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারে, তবে তা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির স্থাপন করবে। হাদির ভাষায়, “পৃথিবীর কোনো স্বৈরাচার আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আজকের রায় ভবিষ্যতের শাসকদের জন্যও একটি স্থায়ী বার্তা হয়ে থাকবে—ক্ষমতা যাই হোক, বিচারের বাইরে কেউ থাকতে পারবে না।”

সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির রায় দেবে এবং দ্রুত তা কার্যকর হবে। যদি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে শহীদ পরিবারগুলোর সঙ্গে নিয়ে আইনি লড়াই জারি রাখব।”

২০১৩ সালের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে হাদি বলেন, “আমরা শাহবাগতন্ত্র কায়েম করতে চাই না। আমরা চাই বিচার—আদালতের মধ্য দিয়েই ন্যায়ের সুরক্ষা।”

আদালত প্রাঙ্গণে তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যবেক্ষক, রাজনৈতিক কর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন