সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের কয়েকজন শীর্ষ নেতার সাম্প্রতিক ছবি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষত তাঁদের আগের ছবির সঙ্গে সাম্প্রতিক ছবির তুলনা করে নানা পোস্ট ও মন্তব্য দিচ্ছেন নেটিজেনরা।
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন—সম্প্রতি তাঁদের ভিন্ন ভিন্ন স্থানে তোলা কয়েকটি ছবি ভাইরাল হওয়ায় বিষয়টি আরও আলোচিত হয়।
সামাজিক মাধ্যমে অনেকে লিখছেন—দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক চাপ এবং ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে নেতাদের চেহারায় ক্লান্তি বা ধকলের ছাপ দেখা যেতে পারে। আবার কেউ কেউ তুলনামূলকভাবে আগের ও বর্তমান সময়ের ভিন্ন জীবনযাত্রা, পোশাক-পরিচ্ছদ ও পরিবেশকে ছবির পার্থক্যের কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দায়িত্ব পরিবর্তনের পর নেতাদের জনসমক্ষে প্রকাশ পাওয়া চেহারার পরিবর্তন সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করাটা স্বাভাবিক। সামাজিক মাধ্যমেও এ ধরনের আলোচনার রেশ দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।
তবে এসব ছবি ও মন্তব্যের অনেকগুলোই ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা বা মতামতনির্ভর—যার সাথে সংশ্লিষ্টদের বাস্তব পরিস্থিতির সরাসরি সম্পর্ক নাও থাকতে পারে বলে সতর্ক করছেন গণকমিউনিকেশন বিশেষজ্ঞরা।
ব্যক্তিগত চেহারা বা স্বাস্থ্যগত পরিবর্তন নিয়ে ট্রল বা কৌতুকের বিষয়টিকে প্রয়োজনীয় সংবেদনশীলতা ও দায়িত্বের সাথে দেখা উচিত বলেও মত দিয়েছেন তারা।

