রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
Logo

পিরিয়ডের সময় দরুদ পাঠের বিধি-নিষেধ ও ফজিলত

ডেস্ক রিপোর্ট।।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী পিরিয়ডের সময় নারীরা দরুদ ও দোয়া করতে পারেন। কোরআন-হাদিসের নির্দেশনার আলোকে এ সময় জিকির ও পিরিয়ডের দোয়া পড়া জায়েজ। তবে বিশেষভাবে কোরআন তিলাওয়াত করা এ সময়ে অনুমোদিত নয়। অর্থাৎ, কোরআনের আয়াত পাঠ করা নয়, বরং দোয়া হিসেবে তিলাওয়াত করলে তা জায়েজ।

ইসলামিক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গোসল ফরজ বা অজু না থাকা অবস্থাতেও দরুদ পড়া জায়েজ। অনেকে মনে করেন, অজুহীন বা গোসল ফরজ অবস্থায় নবীজির নাম শুনলে দরুদ পড়া যাবে না; এটি সঠিক নয়। বরং নবীজির (সা.) নাম উচ্চারণ বা শোনার সঙ্গে সঙ্গে দরুদ পড়া ফজিলতপূর্ণ ও ওয়াজিব।

দরুদ পড়ার ফজিলত

কোরআনে আল্লাহ তায়ালা নবীর ওপর দরুদ পাঠের নির্দেশ দিয়েছেন:

“নিশ্চয় আল্লাহ নবীর প্রশংসা করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর জন্য দোয়া করে। হে মুমিনগণ, তোমরাও নবীর ওপর দরুদ পাঠ কর এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।” (সূরা আহজাব: ৫৬)

বহু হাদিসে নবীজির (সা.) ওপর দরুদ পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সহিহ মুসলিমে বর্ণিত এক হাদিসে আবু হোরায়রা (রা.) থেকে জানা যায়, যে ব্যক্তি একবার নবীর জন্য দরুদ পড়বে, আল্লাহ তায়ালা তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করবেন। এছাড়া সুনানে তিরমিজিতে এসেছে, কেয়ামতের দিন সবচেয়ে নিকটতম ব্যক্তি হবে সেই যিনি নবীর ওপর সর্বাধিক দরুদ পড়েছেন।

দরুদ পড়ার নিয়ম

নবীজির নাম উচ্চারণ বা শোনার সঙ্গে সঙ্গে অন্তত একবার দরুদ পড়া ওয়াজিব।

একাধিকবার নাম উল্লেখ হলে একবার ওয়াজিব, আরও পড়া মুস্তাহাব।

দরুদ ও জিকিরে অজু বা গোসল বাধ্যতামূলক নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নবীজির ওপর দরুদ পাঠ করা প্রতিদিনের আমলে অন্তর থেকে বারবার করার মাধ্যমে বিশ্বাসী মুমিনের জন্য নেকি ও বরকত বৃদ্ধি পায়।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন