ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র নতুন করে বাঁ পায়ের মেনিস্কাস চোটে পড়েছেন। হাঁটুর সংযোগস্থলে এই আঘাতের কারণে তাকে অনুশীলনের সময় ধারাবাহিক ব্যথা ও অস্বস্তিতে থাকতে হচ্ছে। সান্তোসের মেডিক্যাল বিভাগের মতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অ্যান্থ্রোস্কপি সার্জারি করা হতে পারে।
তবে ক্লাবের চিকিৎসকরা তাকে মাঠে না নামার পরামর্শ দিয়েও নেইমার তা অমান্য করে অনুশীলনে হাজির হয়েছেন।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো জানিয়েছে, নেইমারকে ক্লাব কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক এবং ব্যক্তিগত স্টাফরা খেলা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে মেনিস্কাস চোট দ্রুত সারানোর জন্য সার্জারির নির্দেশ দিয়েছেন। যদি অ্যান্থ্রোস্কপি করা হয়, তবে তার এই মৌসুমে খেলার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য।
বর্তমানে ব্রাজিলিয়ান লিগ সেরি এ–তে রেলিগেশনের ঝুঁকিতে থাকা সান্তোসের আরও তিনটি ম্যাচ বাকি। এই তিন ম্যাচে খেলতে চাইলেও নেইমারের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত। শুক্রবার স্পোর্ট রেসিফে’র বিপক্ষে ম্যাচে খেলতে চান তিনি। এজন্য বৃহস্পতিবার অনুশীলনে উপস্থিত হন, যা এই সপ্তাহে প্রথম।
সান্তোসের জন্য শেষ তিন ম্যাচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অবনমন এড়াতে নেইমার ঝুঁকি নিয়েই মাঠে থাকতে চাইছেন। এর আগে বুধবার সান্তোসের সভাপতি মারসেলো টেক্সেইরা বলেছেন, তার হাঁটুর অবস্থা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়াতে নেইমার সতীর্থদের আগেই মাঠ ছেড়ে যান।
বর্তমানে অ্যান্থ্রোস্কপি না করালে চোট আরও গুরুতর হতে পারে। সার্জারি করলে পুনর্বাসনে প্রায় এক মাস সময় লাগবে। এই পরিস্থিতি নেইমারের জন্য উদ্বেগজনক, বিশেষ করে ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলতে হলে পুরোপুরি ফিট থাকা প্রয়োজন। কোচ কার্লো আনচেলত্তিও সতর্ক করেছেন, নতুন চোট তার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হতে পারে।
চোটের কারণে তিনি পুরো বছর ২৫টি ম্যাচে খেলতে পেরেছেন এবং করেছেন ৭টি গোল। এই ধারাবাহিক চোট তার চুক্তি ও মাঠে পারফরম্যান্সের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

