ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (২৩–২৭ নভেম্বর) সূচক ও লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে ইতিবাচক ধারায় লেনদেন শেষ হয়েছে। একই সময়ে দুই পুঁজিবাজারে মোট বাজার মূলধন বৃদ্ধি পেয়েছে ২০ হাজার ৫৯০ কোটি টাকারও বেশি।
শনিবার প্রকাশিত ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
ডিএসইতে সামগ্রিক উত্থান
সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৫৯.১৩ পয়েন্ট বা ৩.২৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৮ পয়েন্টে।
অন্যান্য সূচকের মধ্যে—
ডিএসই-৩০ বেড়েছে ৫৬.৩৪ পয়েন্ট বা ৩ শতাংশ → ১,৯৩৪ পয়েন্ট
ডিএসই শরিয়াহ বেড়েছে ৩৮.৫৬ পয়েন্ট বা ৩.৭৯ শতাংশ → ১,০৫৬ পয়েন্ট
ডিএসএমইএক্স (এসএমই সূচক) বেড়েছে ২৩.৭৮ পয়েন্ট বা ২.৮৮ শতাংশ → ৮৪৮ পয়েন্ট
চলতি সপ্তাহের শেষে ডিএসইতে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯২ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ১০ হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা বেশি।
এ সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬২৫ কোটি টাকার বেশি, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৬৩৭ কোটি টাকা বেশি।
ডিএসইতে ৩৬৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে—
দর বেড়েছে ৩৩৫টির
কমেছে ১২টির
অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টির
লেনদেন হয়নি ৩৪টির
সিএসইতে সূচক ও বাজার মূলধনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সপ্তাহজুড়ে ছিল ইতিবাচক প্রবণতা। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৯৫.১২ পয়েন্ট বা ২.৮৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৩৭ পয়েন্টে।
অন্যান্য সূচকের সর্বশেষ অবস্থান—
সিএসই-৩০ বেড়েছে ২.১৩% → ১২,৪২৭ পয়েন্ট
সিএসসিএক্স বেড়েছে ২.৬৫% → ৮,৬৪২ পয়েন্ট
সিএসআই বেড়েছে ২.৩৩% → ৮৮১ পয়েন্ট
এসইএসএমইএক্স (এসএমই সূচক) বেড়েছে ৬.৩০% → ১,৬২৯ পয়েন্ট
সিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৮৪ কোটি টাকা, যা এক সপ্তাহে বেড়েছে ১০ হাজার ২৫১ কোটি টাকার বেশি।
সপ্তাহের লেনদেনের পরিমাণও বেড়ে হয়েছে ৬৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
এ সপ্তাহে মোট ২৯৭টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নেয়—
দর বেড়েছে ২৪৫টির
কমেছে ৪২টির
অপরিবর্তিত আছে ১০টির

