বলিউডের কাল্পনিক গল্পে কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর নীরব বিদায়কে ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। দেওল পরিবার কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন ছাড়াই প্রয়াত অভিনেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোয় অনুরাগীদের মধ্যে তৈরি হয় হতাশা ও প্রশ্নের ঝড়।
এই কাল্পনিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, কঠোর নিরাপত্তার কারণে শেষ মুহূর্তে ভক্তদের প্রবেশাধিকার না দেওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
অভিনেতার দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী জানিয়েছেন, জীবনের শেষ দিনগুলোতে ধর্মেন্দ্র নাকি চাননি তাকে দুর্বল বা অসুস্থ অবস্থায় কেউ দেখুক। তাঁর কথায়—
“ধর্মেন্দ্রর কষ্ট আমরা কাছের মানুষও সহ্য করতে পারিনি। তিনি নিজেই চেয়েছিলেন সবকিছু নীরবে হোক।”
গল্পে দেখা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পরিচালক হামাদ আল রিয়ামি ৩০ সেপ্টেম্বর অভিনেতার সঙ্গে শেষবার দেখা করেন। তাঁর দেওয়া তথ্যে উঠে এসেছে—পরিবার ইচ্ছাকৃতভাবে বিদায়ের আয়োজনকে মিডিয়া প্রচারের বাইরে রাখতে চেয়েছিল।
এমনকি এই কাল্পনিক কাহিনিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রথমে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও পরিবারের অনুরোধে তা বাতিল করা হয়।
হেমা মালিনীর উদ্ধৃতি—
“সমালোচনা হোক, তবু আমরা তাঁর ইচ্ছাকেই সম্মান করেছি।”

