লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো আরেকটি অর্জন। ইন্টার মিয়ামিকে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জিতিয়ে আর্জেন্টাইন সুপারস্টার সংগ্রহ করলেন নিজের ৪৭তম শিরোপা। ফাইনালে দুটি অ্যাসিস্ট করে দলের সাফল্যে রাখলেন নেতৃত্বদায়ী ভূমিকা।
গতকাল (৬ ডিসেম্বর) ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩–১ ব্যবধানে হারিয়ে ট্রফি উঁচিয়ে ধরে মিয়ামি। ম্যাচজুড়ে দারুণ প্রভাব বিস্তার করে ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার (এমভিপি)’ও নির্বাচিত হন মেসি।
ইন্টার মিয়ামির প্রথম গোলটি এল আত্মঘাতী হিসেবে, তবে এর পেছনে ছিল মেসির সৃষ্ট সুযোগ। তার পাস থেকেই শট নেন তাদেও আলেন্দে, যেখান থেকে বল প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে ঢোকে।
৭১ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করেন রদ্রিগো ডি পল—অবশ্যই মেসির নিখুঁত থ্রু পাস থেকে। অতিরিক্ত সময়ে আলেন্দে মিয়ামির তৃতীয় গোলটি করে ম্যাচ নিশ্চিত করেন। এই গোলটিতেও অ্যাসিস্ট আসে মেসির পা থেকে।
ম্যাচশেষে মেসি বলেন,
“তিন বছর আগে এমএলএসে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আজ আমরা এমএলএস চ্যাম্পিয়ন। এই দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় কঠোর পরিশ্রম করেছে। এটি সেই মুহূর্ত, যার অপেক্ষায় ছিলাম।”
২০২৩ সালে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেন মেসি। প্রথম মৌসুমে লিগস কাপ জিতলেও দল পৌঁছাতে পারেনি প্লে-অফে। ২০২৪ সালে রেকর্ড ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে সাপোর্টার্স শিল্ড জিতলেও এমএলএস কাপটি অধরাই রয়ে যায়।
অবশেষে ২০২৫ মৌসুমে পূরণ হলো সেই স্বপ্ন।
ইন্টার মিয়ামির কোচ হাভিয়ের মাশেরানো বলেন,
“মেসি শুধু গোল আর অ্যাসিস্টেই নয়, ডিফেন্সিভ কাজেও মৌসুমজুড়ে অসাধারণ ছিল। শেষ কয়েক ম্যাচে তার অতিরিক্ত প্রেসিংই দেখিয়েছে—এই শিরোপাটি সে কতটা চেয়েছিল।”

