শিশুদের সুরক্ষা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ, আর ইসলামে এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। নবীজি (সা.) শিশুদের মন ও প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন এবং সব ধরনের ক্ষতি থেকে তাদের রক্ষা করার ওপর গুরুত্ব দেন। শুধু দৃশ্যমান বিপদ নয়, বরং অদেখা বিপদ থেকেও শিশুদের সুরক্ষিত রাখার দিকেও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন।
সিলেটের দারুল উলুম কানাইঘাট মাদ্রাসার নায়েবে শায়খুল হাদিস মাওলানা শামছুদ্দীন দুর্লভপুরি জানিয়েছেন, রাতের প্রথম প্রহরে শয়তানের আনাগোনা বেড়ে যায়। হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) বলেছেন:
“যখন রাতের আঁধার নেমে আসবে, তোমরা তোমাদের শিশুদের ঘরে আটকে রাখবে। যখন রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হবে, তখন তাদের ছেড়ে দিতে পারো। ঘরের দরজা বন্ধ করবে এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করবে। শয়তান বন্ধ দরজা খুলতে পারে না।” (বোখারি: ৩১২৮)
শায়খ শামছুদ্দীন ব্যাখ্যা করেন, দিনের বেলায় শয়তানদের কর্মকাণ্ড সীমিত থাকে, কিন্তু সূর্যাস্তের পর তাদের তৎপরতা বেড়ে যায়। তাই শিশুদের ঘরে রাখা এবং দরজা-জানালা বন্ধ রাখা নিরাপত্তার জন্য জরুরি।
তবে তিনি সতর্ক করেছেন, এই নির্দেশনা সতর্কতামূলক। প্রয়োজনবশত রাতে শিশুদের বাইরে নেওয়া যেতে পারে, তবে দোয়া পাঠ এবং সজাগ থাকাটা অপরিহার্য।
এভাবেই ইসলাম শিশুদের মানসিক ও শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অদেখা বিপদ থেকে তাদের রক্ষার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে।

