দেশের নগরায়ন ও শহর ব্যবস্থাপনার নতুন দিকনির্দেশনা হিসেবে জাতীয় নগরনীতি-২০২৫ এর খসড়া প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বিকেলে বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে জানান, “বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৩ শতাংশ শহরে বসবাস করে। কিন্তু নগরবাসীর অর্থনৈতিক অবদান দেশের জিডিপিতে ৬২ শতাংশের বেশি। তাই শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলা এবং জীবনমান উন্নয়নের জন্য জাতীয় নগরনীতি প্রণয়ন জরুরি।”
তিনি আরও বলেন, “দেশে বর্তমানে মোট ৫৩২টি নগরকেন্দ্র রয়েছে, যার মধ্যে জেলা ও উপজেলা শহরও রয়েছে। এই নীতি নগরায়ন ও পরিকল্পিত শহর ব্যবস্থাপনায় নতুন দিকনির্দেশনা তৈরি করবে।”
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা জানান, খসড়া নীতিটি বাস্তবায়িত হলে শহর পরিকল্পনা, পরিবেশ বান্ধব অবকাঠামো এবং নাগরিক সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া নতুন নীতিতে স্মার্ট সিটি পরিকল্পনা, যানজট নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু সচেতন নগরায়ন এবং প্রতিটি শহরে নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সংবাদটি দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে যে, সরকারের এই উদ্যোগ মূলত শহরাঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থাপনার মান উন্নয়ন এবং নাগরিকদের জন্য আরও জীবনমানমুখী নগরায়ন নিশ্চিত করার দিকে লক্ষ্য রাখছে।

